Sunday, 16 August 2015

Microsoft Excel এর ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল পর্ব – ১৪ (IF function ও Grade Sheet তৈরির মেগা পোস্ট)

তারপর আমরা দেখবো কিভাবে CGPA (Cumulative Grade Point Average) থেকে Grade নির্ণয় করবেন

উপরের ছবির সূত্রটা বুঝতে পেরেছেন, এখানকার শর্ত গুলো এরূপ, যদি কেউ ৫পয়েন্ট তাহলে A+, যদি কেউ ৪পয়েন্টের থেকে ৫পয়েন্টের ভিতরে পায় তাহলে A, যদি কেউ ৩.৫-৪ পয়েন্টের মধ্যে পায় তাহলে A-, যদি কেউ ৩-৩.৫পয়েন্ট এর ভিতর পায় তাহলে B, আর যদি কেউ ২.৭৫-৩ পয়েন্ট এর মধ্যে পায় C grade আর অন্যথায় F Grade পাবে। উপরের সূত্রের মত রেজাল্ট আসবে

Fill Handle নিচের দিকে Drag করলে নিচের মত সবার রেজাল্ট পেয়ে যাবেন

এবার আমরা দেখবো কিভাবে আপনারা Grade Pointকে Grade এ কনভার্ট করতে পারেন। এজন্য প্রথমেই নিচের মত কিছু ডাটা প্রস্তুত করি। এবং ছবিতে দেখানে ঘরটি সিল্টেক্ট করি।

তারপর নিচের ছবির মত ঐ ঘরে ছবিতে দেখানে সূত্র এন্ট্রি করি। দেখুন এখানকার শর্তগুলো হল, আগের বার আমরা ঠিক যেভাবে CGPA কে Grade এ কনভার্ট করেছিলাম। এখানে আমরা ঠিক একই সূত্র apply করবো। শুধুমাত্র এবার আমাদের সেল এড্রেস পরিবর্তন হবে। এবার আমরা আগের ছবিতে দেখানো Shaon এর নম্বর পাশে ক্লিক করবো তাছাড়া অন্য সব শর্ত আগের মতই।

এন্টার প্রেস করলে নিচের ছবির মত আসবে তারপর Fill Handle ব্যবহার করবো

আবারো নিচের দিকে Fill Handle Drag করি।

দেখুন সমস্ত পয়েন্ট, গ্রেড এ পরিবর্তিত হয়েছে।

এবার আমরা দেখবো কিভাবে আপনার নম্বরগুলোকে Grade এ কনভার্ট করতে পারেন। নিচের ছবির দিকে লক্ষ করুন এবং ছবিতে দেখানে ঘরটি সিলেক্ট করুন।

নিচের ছবির মত সূত্র এন্ট্রি করুন। এখানে শর্ত হল যদি কেউ ৮০-১০০ এর ভিতর পায় তাহলে A+, ৭০-৭৯ এর মধ্যে পেলে A, ৬০-৬৯ এর মধ্যে পেলে A-, ৫০-৫৯ এর মধ্যে পেলে B, ৪০-৪৯ এর মধ্যে পেলে C আর ০-৩৯ এর মধ্যে পেলে F grade.

Enter press করে Fill Handle ব্যবহার করুন নিচের মত আসবে।

তারপর নিচের দিকে Drag করলে সমস্ত নম্বর Grade এ কনভার্ট হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য এখানে ব্যবহার করা সমস্ত শর্ত কিন্তু আপনারা Grade Point Table এর মধ্যে পাবেন। এভাবেই আপনারা মার্ক থেকে Grade এ, Grade থেকে Grade Point, Grade Point থেকে Grade আপনাদের রেজাল্ট কে পরিবর্তিত করতে পারবেন। আশা করি Conversion এর সিস্টেম গুলো আপনার কাছে পরিষ্কার হয়ে গেলে যে কোন Grade Sheet বা Result Sheet আপনারা নিজেরাই তৈরি করতে পারবেন। আর এ কারণেই আমি আপনাদের সরাসরি কোন Grade sheet তৈরি করা দেখায়নি। সবাইকে ধন্যবাদ।
যারা বুঝতে পারেননি তাদের জন্য পরবর্তী পর্বে IF ছাড়া কিভাবে আরো সহজে রেজাল্ট তৈরি করা সেটা দেখাবো। চলবে..

এক্সেল পর্ব ১৫ – Excel এ Lookup Function ব্যবহার করে রেজাল্ট তৈরি করা এত সহজ, এখন আপনিও অবশ্যই পারবেন

গত পর্বে আপনাদের কথা দিয়েছিলাম, যারা IF function বুঝতে পারবে না তাদের জন্য আমি এত সহজ একটা রেজাল্ট তৈরি করার পদ্ধতি দিবো যে, যা ব্যবহার করে যে কেউ Excel এ রেজাল্ট শীট তৈরি করতে পারবেন। আজ আমরা আগের রেজাল্ট শীটটাই তৈরি করবো কিন্তু আগের মতো IF ব্যবহার না করে আমরা এবার Lookup Function ব্যবহার করবো। ধরি আমাদের প্রয়োজনীয় শর্তগুলো নিচের ছবির টেবিলের মত
excel-tutorial-in-bangla-lookup-function-15-001

ছবি অনুযায়ী দেখুন:

৮০-১০০ এর ভিতর নম্বর পেলে A+ অথবা ৫.০০
৭০-৭৯ এর ভিতর নম্বর পেলে A অথবা ৪.০০
৬০-৬৯ এর ভিতর নম্বর পেলে A- অথবা ৩.৫০
৫০-৫৯ এর ভিতর নম্বর পেলে B অথবা ৩.০০
৪০-৪৯ এর ভিতর নম্বর পেলে C অথবা ২.৭৫
০-৩৯ এর ভিতর নম্বর পেলে F অথবা ০.০০
আশা করি এটা আপনারা সবাই বুঝতে পেরেছেন, এবার LOOKUP function কিভাবে তৈরি করবো তা দেখে নিই:
খুবই সোজা প্রথমে যে সেলে নম্বর থাকবে সেই সেল নম্বর, তারপর সর্বনিম্ন নম্বরগুলো কমা দিয়ে লিখতে হবে, তারপর গ্রেড গুলো কমা দিয়ে লিখতে হবে, ব্যস হয়ে গেলো রেজাল্ট তৈরি। বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে একটা উদাহরণ দেখুন সব ক্লিয়ার হয়ে যাবে:

=LOOKUP(D3,{0,40,50,60,70,80},{“F”,”C”,”B”,”A-”,”A”,”A+”})

উপরের সূত্রে দেখুন প্রথমে Equal to sign তারপর LOOKUP লেখা হয়েছে তারপর প্রথম বন্ধনী ( , তারপর প্রথমজনের মার্ক উপর ক্লিক, তারপর আবার কমা ( , ) এরপর একটি ২য় বন্ধনী { শুরু হয়েছে, এখানে সর্বনিম্ন মার্কগুলি লেখা হয়েছে কমা ব্যবহার করে, তারপর ২য় বন্ধনী } শেষ, এরপর আবার একটি কমা দেয়া হয়েছে ও পরবর্তীতে আবার একটি ২য় বন্ধনী শুরু হয়েছে, যার মধ্যে কমা দিয়ে গ্রেডগুলো লেখা হয়েছে, তারপর ২য় বন্ধনী }শেষ ও সবশেষে ১ম বন্ধনী ) শেষ করা হয়েছে।

সংক্ষেপে, প্রথমে Lookup function তারপর প্রাপ্ত নম্বর, তারপর সর্বনিম্ন মার্ক, তারপর সর্বনিম্ন মার্ক এর সাথে মিলিয়ে গ্রেড আর বন্ধনী গুলো আপনারা একটু ছবি দেখে ঠিক করে নিন।

এবার আপনাদের জন্য কিছু উদাহরণ করে দেয়া হল:
নিচের মত Excel sheet প্রস্তুত করুন:
excel-tutorial-in-bangla-lookup-function-15-002
তারপর সূত্র লেখা শুরু করুন। বিঃদ্রঃ সবসময় প্রথম জনের নম্বর নিয়ে কাজ করবেন।
excel-tutorial-in-bangla-lookup-function-15-003
নিচের ছবির মত সূত্র লেখা শেষ করুন
excel-tutorial-in-bangla-lookup-function-15-004
এন্টার প্রেস করুন ও Fill Handle use করুন

তাহলেই নিচের ছবির মত mark থেকে grade এ convert হয়ে যাবে।
excel-tutorial-in-bangla-lookup-function-15-006
এবার আমরা marks to grade point এ conversion করবো। নিচের মত এক্সেল শীট প্রস্তুত করুন।
excel-tutorial-in-bangla-lookup-function-15-007
সূত্র লিখুন এখানে প্রথমে Cell Address তারপর সর্বনিম্ন মার্কগুলো কমা দিয়ে লিখুন তারপর ঐ মার্ক পেলে কত পয়েন্ট পাবে তা লিখুন
excel-tutorial-in-bangla-lookup-function-15-008
এন্টার প্রেস করুন ও Fill Handle ব্যবহার করুন
excel-tutorial-in-bangla-lookup-function-15-009
তাহলেই নিচের ছবির মত সমস্ত মার্ক grade point এ কনভার্ট হয়ে যাবে।
excel-tutorial-in-bangla-lookup-function-15-010
এবার আমরা grade point থেকে grade এ রূপান্তর করবো
excel-tutorial-in-bangla-lookup-function-15-011
নিচের মত সূত্র লিখুন
excel-tutorial-in-bangla-lookup-function-15-012
এন্টার প্রেস করুন ও Fill Handle ব্যবহার করুন
excel-tutorial-in-bangla-lookup-function-15-013
তাহলেই সমম্ত Grade point, Grade এ রূপান্তরিত হয়ে যাবে।
excel-tutorial-in-bangla-lookup-function-15-014
আশা করি আপনারা এখন থেকে খুব সহজেই Excelএ রেজাল্ট শীট তৈরি করতে পারবেন এবং কারোরই কোন সমস্যা হবেনা। আর তারপরেও সমস্যা হলে কমেন্ট এর মাধ্যমে আমাকে জানাতে পারেন আমি উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো ভাল থাকবেন। পরবতী পর্ব পড়ার আমন্ত্রন থাকলো।

এক্সেল পর্ব ১৬ – Excel এ IF Function ব্যবহার করে কিভাবে আপনার বাসার বিদ্যুৎ বিল Calculate করবেন। রিয়েল লাইফ প্রজেক্ট।

আপনারা যারা এই ব্লগটি অর্থাৎ iPagol.com যারা ভিজিট করেছেন তারা আশা করি জানেন যে আমি আগে একটি পোস্ট করেছিলাম যে কিভাবে আপনারা নিজের বিদ্যুৎ বিল নিজেরাই Calculate করতে পারবেন এবং আমি সেই পোস্টে বিদ্যুৎ এর দাম আমাদের বিদ্যুতের নতুন দাম অর্থাৎ ১লা সেপ্টেম্বর ২০১২ তারিখে নির্ধারণ করা দাম অনুযায়ী বিদ্যুৎ বিল তৈরি করেছিলাম কিন্তু সেখানে আপনাদের এটি কিভাবে তৈরি করতে হবে তা দেখায়নি। আজ আমরা ঐ কাজটিই কিভাবে আমরা নিজেরা করতে পারি তা দেখবে। আর বিদ্যুতের দাম যেহেতু ১লা সেপ্টেম্বর ২০১২ এর পরে আর বৃদ্ধি পায়নি তাই আমরা ঐ দাম অনুযায়ী বিদ্যুৎ বিল তৈরি করবো। আর যারা আগের ঐ পোস্ট দেখেননি তারা নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে পোস্টটি দেখে নিন:
নিজের বিদ্যুৎ বিল নিজেই বের করুন নতুন দাম অনুযায়ী (১লা সেপ্টেম্বর, ২০১২)
এবার চলুন আমরা আজ আমাদের মূল প্রসঙ্গে চলে আসি:
Excel-Electricity-Bill-16-001
প্রথমেই উপরের ছবির দিকে লক্ষ করুন এই চার্টের মাধ্যমেই আমরা আমাদের বিদ্যুৎ হিসাব করবো। এটা কিন্তু খুবই সোজা একটা উদাহরন দিলেই বুঝতে পারবেন মনে করুন আপনার বিদ্যুৎ বিল হয়েছে ২০০ ইউনিট সেক্ষেত্রে আপনাকে কতটাকা পে করতে হবে।
  • প্রথমে আপনাকে দেখতে হবে আপনি কোন Slot এর ভিতর পড়েন। যেমন এখানে আপনি ৭৬-২০০ এই Slot এর ভিতরে পড়েন।
  • তারপর দেখতে ঐ Slot এর প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ এর মূল্য কত? যেমন এখন ৭৬-২০০ এই স্লটের প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ এর মূল্য ৪.৭৩টাকা।
  • এবার আপনাকে আপনার ব্যবহারূত Unit এর সাথে Per unit price গুন করলেই আপনার কাঙ্খিত Amount পেয়ে যাবেন। যেমন এখানে (২০০ x ৪.৭৩) বা 946 টাকা। আবার যদি আপনার বিল ৭০ ইউনিট হয় সেক্ষেত্রে আপনাকে (৭০ x ৩.৩৩) বা ২৩৩.১০ টাকা পে করতে হবে। এভাবেই সাধারণত বিদ্যুৎ বিল হিসাব করা হয়।
কিন্তু আপনি যদি চান তাহলে এটাকে সূত্র আকারে প্রস্তুত করে রাখতে পারেন আর সেক্ষেত্রে একবারে আপনি অনেকের বিদ্যুৎ বিল তৈরি করতে পারবেন। আপনাদের নিশ্চয়ই আমার লেখা IF Function দিয়ে কিভাবে সূত্র তৈরি করতে হয় সেটা পড়া আছে, পড়া না থাকলে পড়ে নিন। আমরা এখন আগের মতই ছোট ছোট করে শর্ত গুলোকে ভাগ করে নিয়ে সূত্র তৈরি করবো:
১মশর্ত: ০-৭৫ ইউনিট এর ভিতর থাকলে ৩.৩৩ টাকা তার অর্থ IF(Consumed Unit <= 75, Consumed Unit*3.33,
ব্যাখ্যা: আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে সবসময় আমরা প্রথম জনের তথ্য নিয়ে কাজ করবো। তাই উপরে লেখা সূত্রে যেখানে consumed unit লেখা আছে সেখানে আমরা 65 এর উপর ক্লিক করবো। আর এখানে ৬৫ যে ঘরে আছে সেই ঘরের Cell Address হল B15 তাই আমরা consumed unit এর বদলে B15 ব্যবহার করবো।
Excel-Electricity-Bill-16-002
২য়শর্ত: ৭৬-২০০ ইউনিট এর ভিতর থাকলে ৪.৭৩ টাকা তার অর্থ IF(B15 <= 200, B15*4.73,
৩য়শর্ত: ২০১-৩০০ ইউনিট এর ভিতর থাকলে ৪.৮৩ টাকা তার অর্থ IF(B15 <=300, B15*4.83,
৪র্থশর্ত: ৩০১-৪০০ ইউনিট এর ভিতর থাকলে ৪.৯৩ টাকা তার অর্থ IF(B15 <=400, B15*4.93,
৫মশর্ত: ৪০১-৬০০ ইউনিট এর ভিতর থাকলে ৭.৯৮ টাকা আর তার উপরে হলে ৯.৩৮ টাকা করে প্রতি ইউনিট এর বিল হবে। তার অর্থ IF(B15 <=600, B15*7.98, B15*9.38)))))
কতগুলো If আছে তা গুণে শেষে ঠিক ততগুলো প্রথম বন্ধনী দিয়ে দিন। এবার উপরে লেখা এই সূত্রগুলোকে জোড়া দিয়ে দিলেই আমরা আমাদের কাঙ্খিত সূত্র পেয়ে যাবো। এখানে জোড়া দেয়ার পর আমরা এমন পাবো:
=IF(B15<=75,B15*3.33,IF(B15<=200,B15*4.73,IF(B15<=300,B15*4.83, IF(B15<=400,B15*4.93,IF(B15<=600,B15*7.98,B15*9.38)))))
এবার আসুন আমরা ছবির মাধ্যমে স্টেপ বাই স্টেপ দেখে নেই:
Excel-Electricity-Bill-16-003
এখানে লক্ষ করুন আমি কিন্তু Amin এর Consumed Unit 65 এর উপর ক্লিক করেছি।
Excel-Electricity-Bill-16-004

উপরের ছবি দেখুন পুরো সূত্র লেখার পর এমনই হবে। সূত্র লেখা শেষ Enter Press করুন। এমন আসবে।
Excel-Electricity-Bill-16-005
Fill Handle ব্যবহার করুন তাহলে নিচের মত সবার বিদ্যুৎ বিল তৈরি হয়ে যাবে।
Excel-Electricity-Bill-16-006
আমরা এতক্ষণ যে বিদ্যুৎ বিল প্রস্তুত করলাম এটা কিন্তু পল্লী বিদ্যুৎ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। একদম সবার প্রথমে দেয়া ছবির চার্টে দেখুন পল্লী বিদ্যুৎ এর রেট দেয়া আছে। এটা আপনারা প্রস্তুত করে নেন। আশা করি কোন সমস্যা হবে না।

মাইক্রোসফট এক্সেল শিখুন পর্ব ১৭ – How to create chart in Microsoft Excel

আজ আমরা Excel এর তুলনামূলক একটি সহজ কাজ – Chart তৈরি করা দেখবো। Excel ব্যবহার করে খুব অল্প সময়েই অনেক দৃষ্টিনন্দন চার্ট তৈরি করা সম্ভব। Excel ব্যবহার করে বিভিন্ন type এর চার্ট তৈরি করা যায়। চার্ট তৈরি করার জন্য আমাদের শুধু প্রয়োজনীয় ডাটা দিতে হবে আর বাকি কাজ Excel নিজে নিজে করে নিবে। চলুন মূল প্রসঙ্গে যাই:
নিচের ছবির মতে Excel এ কিছু ডাটা Entry করুন।
learn-how-to-use-excel-chart-option-17-001
এখানে টেবিলে ধরি বলা আছে যে, ২০১৩ সালে ২০০০০জন SSC পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, ২০১২ সালে ১৮০০০জন ও ২০১১ সালে ১৫০০০জন পরীক্ষার্থী SSC পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এটা তো একটা ছোট টেবিল তাই টেবিলের ডাটা বুঝতে সহজ হচ্ছে না কিন্তু যদি এই খানে বিগত ২৫বছরের ডাটা দেয়া থাকতো তাহলে টেবিলের ডাটাগুলো বুঝতে ও compare করতে কত সময় লাগতো চিন্তা করে দেখুন। কিন্তু আমরা যদি এই ডাটা গুলো চার্টের মাধ্যমে উপস্থাপন করি তাহলে এগুলো সবাই খুব সহজেই অল্প সময়ের ভিতর বুঝতে পারবে। এজন্য সাধারণত আমরা চার্ট প্রস্তুত করে থাকি।
নিচের ছবির মত সব ডাটা সিলেক্ট করুন
learn-how-to-use-excel-chart-option-17-002
তারপর আবারো ছবির মতো Insert menu থেকে Pie এ ক্লিক করুন ও ছবিতে দেখানো চার্ট সিলেক্ট করুন।
learn-how-to-use-excel-chart-option-17-003
এখানে ক্লিক করলেই আপনারা নিচের ছবির মত একটি চার্ট পেয়ে যাবেন।
learn-how-to-use-excel-chart-option-17-004
এখন এই চার্টকে আরো কিছু Modify করার জন্য নিচের ছবির মতো Chart Layout থেকে যে কোন Layout select করে পরিবর্তন লক্ষ্য করুন।

Layout সিলেক্ট করার পর এমন দেখতে পাবেন
learn-how-to-use-excel-chart-option-17-006
এবার আমরা আর একটু কঠিন চার্ট তৈরি করবো। মনে করুন: বিভিন্ন সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দেয়া আছে। এখন আমরা SSC ও HSC পরীক্ষার্থীর একটি তুলনামূলক চার্ট দেখতে চাই। সেক্ষেত্রে প্রথমে নিচের মত টেবিল প্রস্তুত করুন।
learn-how-to-use-excel-chart-option-17-007
এবার Insert menu থেকে Columns এ ক্লিক করুন ও যে কোন একটা চার্ট সিলেক্ট করুন।
learn-how-to-use-excel-chart-option-17-008
তাহলে নিচের মত চার্ট তৈরি হয়ে যাবে।
learn-how-to-use-excel-chart-option-17-009
এখন চার্টটার সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য আমরা অন্য একটি Chart Layout সিলেক্ট করি তাহলে দেখুন চার্টটাতে একটু পরিবর্তন আসবে।
learn-how-to-use-excel-chart-option-17-010
আবার আমরা যদি চাই যে, বিভিন্ন বার এর উপর ঐ বারের মানও দেখাবে সেক্ষেত্রে আমরা Data Labels থেকে বিভিন্ন অপশন ট্রাই করে দেখতে পারি।
learn-how-to-use-excel-chart-option-17-011
আবার ইচ্ছা করলে এক চার্ট কে অন্য চার্ট টাইপে রূপান্তর করতে পারি। এজন্য Change Chart Type সিলেক্ট করে অন্য একটা চার্ট টাইপ সিলেক্ট করে OK করুন। আমি এখানে Line Chart সিলেক্ট করেছি।
learn-how-to-use-excel-chart-option-17-012
তাহলে নিচের মত চার্ট পাবেন।
learn-how-to-use-excel-chart-option-17-013
এভাবেই বিভিন্ন ধরনের অপশন পরিবর্তন করে বিভিন্ন ধরনের সুন্দর সুন্দর চার্ট তৈরি করতে পারেন।
আজ এ পর্যন্ত। পরবর্তী পর্ব পড়ার আমন্ত্রণ থাকলো।

মাইক্রোসফট এক্সেল শিখুন পর্ব ১৮ – Excel ব্যবহার করেই Time Value of Money এর অংক করুন

আজ আমরা Finance এর কিছু বেসিক এবং গুরুত্বপূর্ণ অংক Excel এর সাহায্যে সমাধান। আপনারা যারা Finance পড়েছেন তারা সবাই জানেন যে, Time Value of Money, Finance এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় এবং Time value of money এর ২টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল Present Value (PV) ও Future Value (FV). আশা করি আপনারা যারা Finance নিয়ে পড়েছেন বা পড়ছেন তাদের আশা করি আর কিছু বলতে হবেনা। আমরা আজ ২টি উদাহরণ দেখবো এবং এই দুটি এক্সেল ব্যবহার করে Solve করবো।

Present Value এর উদাহরণ:

Problem:

Suppose you are depositing an amount today in an account that earns 5% interest, compounded annually. If your goal is to have 500000 in the account at the end of six years, how much must you deposit in the account today?
মনে করুন, আপনার ব্যাংক ৫% চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ দেয়। এখন আপনি যদি ৬ বছর পরে ৫০০০০০টাকা জমাতে চান তাহলে এখন আপনার কত টাকা ব্যাংকে জমা রাখতে হবে?

সাধারণত এই অংকের সমাধান করার জন্য আপনারা এই সূত্র ব্যবহার করেন:
excel-tutorial-how-to-use-pv-18-001-1
দেয়া আছে,
Future Value = 500000tk
Interest Rate = 5% or 0.05
Number of Periods = 6yrs

এই মানগুলোই উপরের সূত্রে বসিয়ে দিলেই এই অংকের সমাধান হয়ে যাবে।
এখন এই একই অংক যদি আপনি এক্সেল এ করেন তাহলে আপনার কোন প্রকার সূত্র জানার দরকার নাই।
আবার যদি আপনার জানতে ইচ্ছা হয় Interest rate 6%, 7%…… ইত্যাদি হলে কি হবে – তাহলে আপনার কোন প্রকার ক্যালকুলেশন না করে সংখ্যা পরিবর্তন করে দিলেই হবে।
আবার যদি জানতে চান ১০০০০০০টাকা জমাতে গেলে কত টাকা রাখতে তাহলেও এগুলো এক ক্লিক করা সম্ভব। তাহলে চলুন এই অংক এক্সেল এ কিভাবে সমাধান করবো তা দেখে নিই:
প্রথমেই নিচের ছবির মত প্রশ্নে দেয়া তথ্য গুলো Entry করুন।
excel-tutorial-how-to-use-pv-18-001
তারপরে যে ঘরে PV বের করতে চান সেই ঘরে ক্লিক করে প্রথমেই = চিহ্ন দিন তারপর লিখুন PV( , এটুকু লিখলেই আপনাকে সূত্রে কি কি Element দরকার তা দেখিয়ে দিবে
excel-tutorial-how-to-use-pv-18-002
যেমন এখানে Rate, nper, pmt, [fv], type লাগবে। এবার আমরা এগুলোর সাথে আমাদের বাস্তবের অর্থগুলো একটু মিলিয়ে নিবো। যেমন:
Rate = Interest Rate এটা সহজেই বোঝা যায়।
nper = এটার অর্থ Number of Periods (আরো সহজে বললে বলা যায়, বছরে আপনি যে কয়টা Payment বা Installment দিবেন)
FV = কোন কিছুর ভবিষ্যৎ মূল্য
PV = কোন কিছুর বর্তমান মূল্য
PMT = Payment বা প্রতি Installment এ টাকার পরিমান
type = এটা সাধারণ ০ বা ১ হয়, মাসের প্রথমে payment করলে ১ আর মাসের শেষে payment করলে ০ type হিসেবে দিতে পারেন, আর কোন কিছু না দিলেও হবে। সাধারণত কোন কিছু না দিলে ০ হিসেবে ধরে নেয়।
বার নিচের ছবির দিকে তাকান যেহেতু প্রথমে Rate দিতে হবে তাই 5% এর উপর ক্লিক করেছি।
excel-tutorial-how-to-use-pv-18-003
তারপর দেখুন nper ও pmt চেয়েছে তাই প্রথমে ৬ এর উপর ক্লিক করেছি আর এখানে যেহেতু কোন payment নেই, তাই এটাকে ০ করে দিন।
excel-tutorial-how-to-use-pv-18-004
তারপর 500000 এর উপর ক্লিক করুন, কারন এটা FV। এখানে দেখুন ৫০০০০০ এর আগে – চিহ্ন দেয়া হয়েছে। কারণ টাকাটাতো বাকী আছে। আর – চিহ্ন না দিলেও হবে তবে রেজাল্ট লাল কালারে আসবে।
excel-tutorial-how-to-use-pv-18-005
সবশেষে এন্টার প্রেস করুন আর দেখুন রেজাল্ট তৈরি হয়ে গিয়েছে
excel-tutorial-how-to-use-pv-18-006
এখন হয়ত আপনি জানতে ১০% ইন্টারেস্ট রেট হলে কি হত তাহলে ৫% এর উপর ক্লিক করুন ও ১০লিখে এন্টার প্রেস করুন। ব্যাস এটুকুই।
excel-tutorial-how-to-use-pv-18-007
আবার হয়ত আপনি বিভিন্ন Interest Rate এর জন্য রেজাল্ট কত আসতো জানতে চান। তাহলে আপনার আর আবার করার দরকার নেই। শুধুমাত্র প্রশ্নে দেয়া information গুলো দিন।
excel-tutorial-how-to-use-pv-18-008
তারপর প্রথম Present Value amount এর উপর ক্লিক করুন ও আগের মত Fill Handle ব্যবহার করুন। আর দেখুন প্রতিটার জন্য রেজাল্ট চলে আসছে।
excel-tutorial-how-to-use-pv-18-009
ধন্যবাদ সবাইকে ভাল থাকবেন।