Friday, 21 August 2015

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (seo) এর A to Y পর্যন্ত টিউটোরিয়াল পোস্ট-২৩

সোশ্যাল মিডিয়া
সোশ্যাল মিডিয়া যা Web2.0 নামেও পরিচিত। Internet শুরু থেকেই তার বৈশিষ্ট্যএর জন্য social media হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে internet এ অগনিত social media. বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া তার মধ্যে একেকটা একেকভাবে ব্যবহার করা হয় এবং এগুলো দিয়ে আবার আমরা social marketing করতে পারি। আজ আমরা কিভাবে এগুলো করতে পারি , এ সম্পর্কে কিছু কথা শেয়ার করব।

social media বলতে আমরা কি বুঝি – social media হল এমন একটা জায়গা যেখানে যেয়ে মানুষ মানুষের সাথে Interact করে অর্থাৎ ভাবের আদান-প্রদান ঘটে। উদাহরন হিসেবে বলতে পারি
  • forum
  • blog post (which accept comments)
  • chat rooms
  • web 2.0 communities
কি web 2.0 communities আবার কোন ধরনের ওয়েবসাইট চিন্তা করছেন – না চিন্তার কোন কারণ উদাহরণ দেখলেই বুঝতে পারবেন, বেশি কথা বলছি বলে মনে হচ্ছে – না আসুন উদাহরণ দেখি
  • আমাদের অতি পরিচিত Facebook
  • Twitter
  • Pinterest
  • and এই ধরনের আরো অনেক সাইট
Introduction to Social Media Marketing or SMM

SMM হল এমন একটা পদ্ধতি যার মাধ্যমে আপনি আপনার টার্গেট audience এর পৌছাতে পারবেন আর এজন্য আপনাকে বিভিন্ন relavant commnunities এবং forum এর active member হিসেবে থাকতে হবে এবং আপনার মার্কেট রিলিটেড conversation এ অংশগ্রহন করতে হবে।
SMM কে আপনি সহজ ভাষায় online networking বলতে পারেন। আপনারা সবাই জানেন আমরা সবাই পরিচিত মানুষের সাথে business করতে ভালবাসি। কারণ তারা আমাদের পছন্দ করে, আর যারা আমাদের পছন্দ করে তারা আপনি না বললেও
  • আপনার পণ্যের Advertisement করে দিবে
  • ঐ পণ্যর দরকার হলে আপনার কাছ থেকে কিনবে
  • আর তার পরিচিত কেউ কিনতে চাইলে আপনাকে recommend করবে।
আপনাদের অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে SMM ও SEO এর মধ্যকার রিলেশন কি? আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় যেন দুটার সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি চরিত্র। যেমন: SEO এর মাধ্যমে আমরা যা করি তা হল, আমরা চাই মানুষ জন আমাদের খুজেঁ নিক, আর SMM এর মাধ্যমে আমরা নিজেরাই সরাসরি মানুষ জনের কাছে যাচ্ছি।
অনেকেই এমন আছেন যাদের social site এ presence খুবই strong, তারা traditional seo কে overlook করে, কারণ তারা SMM এর মাধ্যমেই তাদের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছাতে পারবে। কিন্তু এটা কোন smart way না। কারণ SMM, SEO substitute না। SMM এর মাধ্যমে আমরা সরাসরি কোন পাই না, আর social সাইট থেকে যে লিংক গুলো দেয়া হয়, তা সাধারণত No Follow attribute যুক্ত থাকে। SMM এর মাধ্যমে visitor পেতে পারি, কিন্তু মনে রাখবেন এটা কিন্তু SEO এর বিকল্প নয় বা হতে পারিনা। আপনি যদি Link worthy content তৈরি করে থাকেন তাহলে আপনি Automatically বিভিন্ন ধরনের indirect backlink পাবেন।

  • অন্য মানুষ আপনার সম্পর্কে কি ভাবছে অথবা বলছে?
  • তারা কি আপনার সম্পর্কে Positive কথা বলছে নাকি Negative কথা বলছে?
  • আপনার কি এই আলোচনা সাড়া দেয়া উচিত নাকি উচিত নয়? – এটা ঠিক আপনি হয়ত মানুষজন যা বলছে তা আটকাতে পারবেন না কিন্তু অবশ্যই আপনি আলোচনায় অংশগ্রহনের মাধ্যমে, আলোচনাটিকে আপনার পক্ষে নেয়ার চেষ্টা করতে পারেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ধরুন আপনার company এর twitter follower অনেক। মনে করুন এদের মধ্যে থেকে কেউ একজন কোন সমস্যায় পড়ল, এবং সে এই বিষয়ে tweet করলো এবং আপনার company এর কেউ একজন সাথে সাথে যদি তাকে তার সমস্যার সমাধান দেয়, তাহলে যে ব্যক্তি instant customer service পেলো, সে অবশ্যই অন্যদের কাছেও আপনার কোম্পানির নাম ও Twitter link share করবে এবং বলবে তুমি এখানে তোমার সমস্যার কথা জানালে, তুমি তোমার সমস্যার সমাধান পাবে।
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। ভাল থাকবেন।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (seo) এর A to Y পর্যন্ত টিউটোরিয়াল পোস্ট-২৪

Social Media Marketing এর কথা শুনলেই আপনার মনে হতে পারে, কি না জানি কি? আরও কত কিছু হয়ত এটা করার জন্য শিখতে বা জানতে হবে। আসলে না এটাতে ভয়ের কোন কিছু নেই, আপনি কি আগে কখনো কোনো পণ্য বা সেবা নেয়ার সময়, অনলাইনে কারোর রিভিউ দেখে বা অন্য কারোর পূর্বঅভিজ্ঞতা থেকে, ঐ পণ্য বা সেবা নেয়ার সময় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? হ্যা তাহলে আপনি SMM সম্পর্কে অনেক কিছুই জানেন। এটা করার জন্য আপনাকে বিভিন্ন ফোরামে বা ফেসবুক বা টুইটারে আপনাকে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে হবে। আপনি আপনার পূর্বঅভিজ্ঞতা এসব সাইটে শেয়ার করতে পারেন। ঐ পণ্য বা সেবা ব্যবহার করলে সে কি কি সুযোগ সুবিধা পাবে, কোন ধরনের সমস্যা হতে পারে, সমস্যা সমাধানের উপায়- এসব বিষয়ই আপনি তাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। আপনি যদি honestly এসব করতে থাকেন, তাহলে কিছুদিনের মধ্যই অনলাইনে আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে এবং সাথে সাথে পণ্য বা সেবার বিক্রয় এর পরিমাণ ও বাড়বে।

কিভাবে SMM শুরু করবেন

যে কোন নতুন বিষয় নিয়ে আমরা প্রথমে যে সমস্যায় পড়ি সেটা হল, আমরা কিভাবে বা কোথা থেকে শুরু করব এটা বুঝতে পারিনা। আসলে যে কোন কিছু সঠিকভাবে শুরু করা খুবই জরুরী, পরবর্তীতে তাহলে সমস্যা কম হয়। প্রথমেই আপনার মার্কেট রিসার্চ করুন। আপনি কি কোন web2.0 সাইটে যোগ দিতে পারেন, এজন্য আপনি বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট দেখতে পারেন, যেমন

  • Blogs
  • Articles
  • Videos
  • Tweets
  • Forums
আপনার সার্ভিস রিলেটেড blog খুঁজে বের করার জন্য আপনি গুগল এর সহায়তা নিতে পারেন, এছাড়াও আপনি বিভিন্ন Blog search engines এর সহায়তা নিতে পারেন
  • Technorati
  • Google blog search
  • তারপর Twitter ও Facebook এর নিজস্ব Searches ব্যবহার করে আপনি আপনার Target Market এর মানুষজন খুঁজে পেতে পারেন।

বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার আপনার প্রোফাইল তৈরি করুন


প্রোফাইল তৈরি করার সময় কিছু বিষয় বিবেচনা করা জরুরী
  • আপনি কি নিজের নাম ব্যবহার করবেন না আপনার Brand name? এখন যদি আপনি মনে করেন যে, আপনার নাম ব্যবহার করলে আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে, তাহলে আপনি এটা করতে পারেন। কিন্তু যদি আপনি মনে করেন যে না আমি আমার company কে brand হিসেবে তৈরি করব, তাহলে আপনি আপনার company এর নামেও profile তৈরী করতে পারেন।
  • কিন্তু যদি আপনার কোম্পানি অনেক বড় হয়, তাহলে আপনি আপনার organization এর নাম same রেখে অনেকগুলো profile তৈরি করতে পারেন।
  • যখন শুরু করবেন তখন প্রধান প্রধান কয়েকটা একাউন্ট দিয়ে শুরু করুন যেমন: Facebook, Twitter, Youtube.
  • প্রধান কয়েকটা সাইটে একাউন্ট করা তৈরি হয়ে গেলে আপনি তারপর অন্য সাইটে একাউন্ট তৈরি করতে পারেন। অন্য সাইট খুজে বের করার জন্য আপনি knowem.com নামক সাইটে যেতে পারেন, এখানে আপনি অনেক সাইটের নাম পাবেন, যা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে দেয়া আছে।
  • আপনার profile কে customize করুন। যেমন, আপনি এসব সাইটে আপনার logo, brand colors এগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

  • এছাড়াও কিছু কিছু ওয়েবসাইটের bioতে আপনি সরাসরি আপনার website এর লিংক যোগ করতে পারবেন।
  • অনেকেই দেখা যায় ব্যস্ততার জন্য এসব সোশ্যাল সাইটে সময় দিতে পারেনা, কিন্তু আপনি যদি আপনার সাইটের সাথে লিংক করে রাখেন, তাহলে অন্য কেউ যদি আপনার brand বা name দিয়ে সার্চ করে, তাহলে তারা এই রেজাল্টগুলো search এর সময় পেতে পারে।
ধন্যবাদ সবাই ভালবেন।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (seo) এর A to Y পর্যন্ত টিউটোরিয়াল পোস্ট-২৫

এরপর আপনার কাজ হবে নতুন নতুন বন্ধু তৈরি করা। এটা অনেক কঠিন কাজ হয়ে দাড়াবে, যদি আপনি আপনার রিয়েল নাম বাদ দিয়ে অন্য কোন নামে একাউন্ট তৈরি করেন। কারণ মানুষ আপনাকে চেনে কিন্তু আপনার নতুন ব্যবসার নাম নাও জানতে পারে। এজন্য রিয়েল নেম দিয়ে একাউন্ট করলে আপনি কিছু সুবিধাতো পাবেন। নতুন বন্ধু বানানোর জন্য আপনি যা করতে পারেন তা হল:

  • আপনি যে সমস্ত মানুষ চেনেন তাদের follow করুন
  • ধীরে ধীরে তাদের friend দের follow করুন
  • তারপর তারা কে কি আলোচনা করে, সেগুলো observe করুন এবং ধীরে ধীরে এদের ভিতর থেকে আগ্রহী লোকজন খুজে বের করে তাদের ফলো করা শুরু করুন।
  • তারপর ইচ্ছা করলে আপনি আপনার email address বা অন্যান্য social account এর id দিয়েও আপনার পরিচিত লোকজনদের খুজে বের করতে পারেন।

আরো ভালভাবে সবকিছু manage করার জন্য
  • যে কোন community এর সাথে একাত্ম হয়ে যান
  • বিভিন্ন ধরনের আলোচনায় যোগদান করুন
  • সবসময় অন্য মেম্বারদের প্রতি সহযোগীতাপূর্ণ ও বন্ধুত্বসুলভ আচরণ করুন।
  • নিজের ঢোল বেশি পেটাবেন না।
  • চোখ কান খোলা রাখুন।
  • কখনই হাল ছাড়বেন না।

অনলাইন কমিউনিটি যোগ দেয়ার আপনাকে অনেক বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। আপনি জানেন যে, অনেকেই আছে যারা এইসব কমিউনিটিতে যোগ দান করে শুধুমাত্র Backlink তৈরি করার জন্য। এইসব ফোরাম,ব্লগ বা ওয়েব২.০ সার্ভিসের মালিকরাও জানে এসব মানুষ শুধুমাত্র spamming করার জন্য সাইটে মেম্বারশীপ নিয়েছে। তাই এ সমস্ত কাজগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে। সবসময় মাথায় থাকতে হবে যে, আমি এই ফোরামকে আমার জানার ভিতর থেকে সাহায্য করব এবং বিনিময়ে আমিও কিছু সাহায্য পাবো। তাই আপনাকে এসব ওয়েব২.০ সার্ভিসে ভাল জায়গা করে নিতে হলে, আপনাকে অনেক বেশি সাহায্য সহযোগীতা করতে হবে। ধীরে ধীরে আপনার সর্ম্পকে যখন একটা ভাল ধারণা হয়ে যাবে, তখন আপনার promo এর কাজ করতে পারেন, তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন অন্য কেউ যেন বিরক্ত না হয়। আপনি যা করতে পারেন:

কোন ওয়েবসাইটে একাউন্ট করার সময় এদের rules and regulations গুলো পড়ে নিতে পারেন। কারণ অনেক ওয়েবসাইটে এরকম নিয়ম থাকে যে আপনি প্রথম কয়েকটি পোস্ট এ কোন লিঙ্ক দিতে পারবেন না(আপনার প্রোডাক্ট বা সাইটএর প্রমোশন সর্ম্পকিত)। যদি দেন এগুলো spam হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এমনকি আপনার একাউন্ট পর্যন্ত BAN করা হতে পারে।
কিছু ওয়েবসাইটে এমন সিস্টেম থাকে যে আপনি পোস্টের ভিতরে লিঙ্ক দিতে পারবেন না কিন্তু আপনার Profile/signature এ লিঙ্ক দিতে পারবেন।
আপনার জানেন ব্যাকলিঙ্ক অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার গুগল এর কাছে। আর এ জন্যই সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটাররা ব্যাকলিঙ্ককে অনেক বেশি গুরুত্ব দেয়। তাই অধিকাংশ ওয়েবসাইট-ই তাদের back link এর অপশনে ‘no follow’ attribute যোগ করে রাখে, ফলে গুগল এটাকে তেমন কোন গুরুত্ব দেয় না বা কোন প্রকার Link popularity এটা দিয়ে pass করে না। তবে no follow link এর গুরুত্ব নিয়ে বিভিন্ন seo guru দের দ্বিমত আছে।
আজকের মত শেষ করছি। পড়ার জন্য ধন্যবাদ। চলবে……….

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (seo) এর A to Y পর্যন্ত টিউটোরিয়াল পোস্ট-২৬

আগের পর্বের পর থেকে:
  • আপনার বর্তমান পোস্ট, কমেন্ট, আর্টিকেল এগুলো ভালভাবে রিভিউ করুন।
  • লক্ষ তারা কি আপনার সর্ম্পকে আলোচনা করছে।
  • তারা কি আপনার target market এর একটি অংশ।
  • আপনি যে community তে আছেন তাদের কালচার কেমন ভাল না খারাপ? যদি খারাপ হয় এটা কি আপনার promo এর জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। এগুলো ভালভাবে চিন্তা করুন। সম্ভব হলে বিতর্কিত বিষয় গুলো এড়িয়ে চলুন।

  • এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়াতে participate করার জন্য আপনি ঐ কমিউনিটির বিভিন্ন সদস্য এর প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন। কিন্তু প্রশ্নের দেয়ার সময় খেয়াল রাখবেন, এমন ভাবে উত্তর দিবেন না যাতে অন্য কাউকে খাটো না করা হয়। কোনভাবেই ভুল উত্তর দিবেন। ভুল উত্তর দেয়ার চেয়ে উত্তর না দেয়া ভাল। আপনি যে সর্ম্পকে উত্তর দিতে চান, অবশ্যই সেটা সর্ম্পকে আপনাকে ভালভাবে জানতে হবে। এতে করে আস্তে আস্তে আপনার প্রতি সবার বিশ্বস্ততা বাড়বে।
  • যদি আপনি কোন বিষয়ে খুব অভিজ্ঞ না হন, তাহলে আপনি বর্তমানে ঐ ফোরামে running বিষয়গুলোর উপর একটু advance level এর প্রশ্ন করতে পারেন বা অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে কোন কিছু clarify করতে বলতে পারেন। সুযোগ থাকলে নিজেই কোন নতুন টপিক চালু করতে পারেন।

  • কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকুন, যেমন social mediaতে অংশগ্রহণ এর মাধ্যমে সময় নষ্ট করবেন না।
  • অনেকেই আছে যারা social media তে প্রচুর পরিমাণে সময় নষ্ট করে। এজন্য দিনের নির্দিষ্ট একটা সময় এর জন্য বরাদ্দ করে রাখতে পারেন অথবা এর জন্য নতুন কাউকে দায়িত্ব দিতে পারেন।

Measuring your success


সাধারণত seo করার পর সবাই তার অবস্থান জানতে চায় সার্চ ইঞ্জিনে। কারণ আপনার যদি Search Engine (SE) তে ভাল অবস্থান থাকে তাহলে আপনি প্রচুর পরিমাণে Free Traffic পাবেন আর না থাকলে পাবেন না। কিন্তু সবসময় SE তে Ranking দ্বারাই success টা measure করা উচিৎ নয়।

কেন শুধুমাত্র SE ranking measure করা উচিৎ নয়

Ranking সবসময় পরিবর্তন হয়। যেমন ধরুন আপনি একটা কিওয়ার্ড দিয়ে একটা সার্চ করলে আপনার কম্পিউটারে যে সার্চ রেজাল্ট শো করবে, আপনার বন্ধুর কম্পিউটারে সেই একই রেজাল্ট নাও দেখাতে পারে। আবার মাঝে মাঝে browser পরিবর্তনের ফলেও আপনার সাইটের ranking up-down করতে পারে। তাই আপনার কম্পিউটারে যে রেজাল্ট দেখাচ্ছে সেটাই যে অন্য সব কম্পিউটারে দেখাচ্ছে এমন ভাববেন না।

SE ranking ভৌগোলিক অবস্থানের ভিত্তিতেও হয়। যেমন আপনি আমেরিকা থাকলে এক ধরনের রেজাল্ট দেখবেন আবার বাংলাদেশে থাকলে আর একধরনের রেজাল্ট দেখবেন। আমেরিকায়তো আপনার state change হলেই সার্চ রেজাল্ট পরিবর্তন হয়ে যায়। একারনে দেশের ভিতরে ব্যবসা বা কোন সেবা দিতে চাইলে country extension নিতে পারেন যেমন: .BD। তাহলে local seo এর ক্ষেত্রে benefit পাবেন।

বিগত কয়েকবছর ধরে গুগল তার সার্চ রেজাল্ট personalized হিসেবে দেখায়। যেমন: আপনার যদি গুগলে একটি একাউন্ট থাকে এবং আপনি যদি সেই একাউন্টে লগ ইন করা অবস্থায় সার্চ করেন, তাহলে একধরনের রেজাল্ট দেখাবে। আর আপনার যদি গুগলে একাউন্ট না থাকে তাহলে আর একধরনের রেজাল্ট দেখাবে। কারণ গুগলে আপনার একাউন্ট থাকার অর্থই হল গুগল আপনার সর্ম্পকে অনেককিছু জানে এবং সেখান থেকেই সে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে আপনার টেস্ট অনুযায়ী একটি personal সার্চ রেজাল্ট দেখায়। আপনি যদি গুগল একাউন্ট এ লগ ইন করা অবস্থায় নাও থাকেন তাহলেও গুগল কুকি এর মাধ্যমে আপনাকে সনাক্ত করে সার্চ রেজাল্ট দেখায়। আপনারা লক্ষ করেছেন কিনা জানিনা, অনেক সময় সার্চ রেজাল্টের নিচে দেখিয়ে দেয়, আপনি শেষ কবে সাইটটি ভিজিট করেছেন।
আবার অনেক সময় দেখা যায়, আপনি অনেক গুলো কিওয়ার্ড টার্গেট করেছিলেন এবং দেখাগুলো তার মধ্যে কত গুলোতে ১ম পেজে এমনকি ১ম স্থানে অবস্থান করছেন। অনেক কোম্পানীই আছে যারা হয়ত যেসব কিওয়ার্ড এর জন্য কোন সার্চেস বা কম্পিটিশন নেই, সেসব কিওয়ার্ড এর জন্য আপনাকে ১ম পেজে ১ম স্থানে এনে দিবে এবং আপনিও হয়ত দেখে খুশি হবেন যে, হ্যা আমার সাইট ১নং পজিশনে চলে আসছে। আসলে এতে খুশি হওয়ার কিছু নেই কারণ ১জনের মধ্যে প্রতিযোগীতা হলে সেই ১ম হবে। লক্ষ রাখবেন যে কিওয়ার্ড এর জন্য আপনার সাইট ranking করছে তার searches কেমন?
সবাই ভাল থাকবেন।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (seo) এর A to Y পর্যন্ত টিউটোরিয়াল পোস্ট-২৮

চলুন এবার google এর analytics থেকে একটু ঘুরে আসি। (এজন্য অবশ্যই আপনার আগে থেকে google analytics এ একাউন্ট থাকতে হবে। যদি গুগল এ্যানালিটিকস এ একাউন্ট করতে সমস্যা হয় তাহলে সার্চ করলে এ বিষয়ক অনেক টিউটোরিয়াল পাবেন) আর একটা ব্যাপার আমার এই টিউটোরিয়ালের ছবি গুলো আগে তোলা বর্তমান Analytics এর সাথে মিলবে না, তবে অপশন গুলো একই রকম একটু খুজলেই পেয়ে যাবেন। আর আমি সময়-সুযোগ পেলে নতুন analytics এর ছবিগুলো আপলোড করে দিবো।

এখান থেকে Edit এ ক্লিক করলে, আপনারা add new goal এর অপশন। পাবেন এখানে ক্লিক করুন।

তারপর নিচের ছবিতে দেখানো ফরমটি পূরণ করুন।

এখানে ফরমটি পূরণ করার সময় যেগুলো বুঝতে পারবেন সেগুলো default অবস্থায় রেখে দিন। প্রথমে Goal Name দিন, তারপর Active Goal on রাখুন, Goal position একই রাখুন, Goal type url destination select করুন – বাকি দুইটা একটু জটিল আছে। তারপর Goal Details এর match Type থেকে Head Match select রাখুন কারন এটা সিলেক্ট রাখলেই সহজ হবে। Goal-URL দিন। Goal Value default রাখুন, কিন্তু আপনি যদি আগে থেকে জানেন যে প্রতিটা goal এর value কত তাহলে এটা পূরণ করতে পারেন। সবশেষে Save করুন। এটা থেকে আপনি খুব সহজেই আপনার conversion এর পরিমান নির্ধারণ করতে পারবেন এবং আপনি এটাও বুঝতে পারবেন আপনি যে keyword গুলোর পিছনে সময় দিচ্ছেন সেগুলো থেকে আপনার কাঙ্খিত লক্ষ্য পূরণ হবে কিনা? যদি দেখেন যে, আপনি এখন যা করছেন তা থেকে কনভারশন হচ্ছেনা তাহলে অন্য কোন উপায়ে চেষ্ট করুন। অনেক সময় contact form এ too much field থাকলে সমস্যা হতে পারে, এমনকি এর ডিজাইনের জন্যও আপনার conversion ব্যাহত হতে পারে। তবে অনেক সময় এমন হতে পারে যে, আপনার সাইটে প্রচুর ভিজিটর আসছে কিন্তু conversion হচ্ছেনা। এসব ক্ষেত্রে conversion না হওয়ার কারণ খুজে বের করার চেষ্টা করুন আর conversion না হলেও চিন্তার কোন কারন নেই, কারণ প্রচুর ভিজিটর থাকলে আপনার Brand ডেভেলপ করতে সুবিধা হবে।

Traffic source

এটা জানা খুবই জরুরী যে আপনার সাইটের ভিজিটররা কোথা হতে আসছে। আপনি এটা যদি জানতে পারেন, তাহলে আপনার জন্য ভাল হবে। কারণ মনে করুন আপনার যদি search engine থেকে অনেক ভিজিটর আসে, তাহলে আপনি seo এর পিছনে এখন আর effort না দিয়ে অন্য কোন Traffic source থেকে traffic এর পরিমাণ বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারেন।

google analytics এ প্রবেশ করুন এবং এখান থেকে Traffic Sources অপশনটি খুজে বের করুন। উপরের ছবিতে আমাদের কোন সময় কত traffic আসছে এবং কোন source থেকে কত ট্রাফিক আসছে তাও show করছে। উপরের ছবিতে দেখুন আমাদের Search engine থেকে অধিকাংশ ট্রাফিক আসছে যার পরিমান ৭৮.৪৬% এবং এর বিপরীতে Direct ও Referring sites এর ট্রাফিক এর পরিমান যথাক্রমে ১০.৭৭% ও ৭.২৫%। এছাড়াও অন্যান্য সোর্স থেকে মাত্র ৩.৫২% ট্রাফিক এসেছে। যেহেতু আমাদের অধিকাংশ ট্রাফিক search engine থেকে আসছে তাই এটা বলা যায় যে, আমাদের seo টেকনিক ভালই কাজ করছে। কিন্তু এটার একটা খারাপ দিক ও সার্চ ইঞ্জিন এর আপনি যদি খুব বেশি নির্ভরশীল হয়ে যান, তাহলে search result এর ranking system change করলেই আপনার সাইটের ট্রাফিকে dramatic change হবে। তাই সার্চ ইঞ্জিনের উপর এতখানি নির্ভরশীল হবেন। আপনার সাইটে সার্চ ইঞ্জিন থেকে ৫০% পরিমান ভিজিটর আসতে পারে, কিন্তু এর বেশি পরিমান যদি আপনি SE এর নির্ভরশীল হন, তাহলে কিন্তু আপনি সমস্যায় পড়তে পারেন। তাই Search Engine এর ট্রাফিক এর পরিমান বেশি হলে চেষ্টা করুন অন্য সেক্টর থেকেও ভিজিটর বাড়ানোর, এতে করে সার্চ ইঞ্জিনে মেজর কোন changes হলেও আপনি খুব বেশি সমস্যায় পড়বেন না। আর আপনারা আশা করি, জানেন যে গুগল সার্চ ইঞ্জিন এলগোরিদম কত দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে, এর সাথে তাল মিলানো খুবই কষ্টকর ব্যাপার। বিশ্বের বাঘা বাঘা সব স্পেশালিস্ট যেখানে এর সাথে তাল মিলাতে পারছে না – আর আমি আপনি তো কে না কে? তাই বলে আবার ভয় পেয়েন না। system অনুযায়ী কাজ করেন সাফল্য আসবে।
ধন্যবাদ সবাইকে, আজকের মত ইতি টানছি।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (seo) এর A to Y পর্যন্ত টিউটোরিয়াল পোস্ট-২৯

অনেকদিন পর লিখতে বসলাম। কিছু মনে করবেন না, মাঝে কিছু অন্য কাজের ব্যস্ততা থাকায় SEO নিয়ে অনেকদিন পোস্ট করতে পারেনি। আমি আমাদের দেশের অনেককেই দেখেছি, যারা শুধুমাত্র লিংক বিল্ডিং শিখেই নিজেদের Seo expert হিসেবে দাবি করে এবং তারা বিভিন্ন Free lancing platform ও কাজ করে যাচ্ছে। আমি মনে করি তাদের আরো অনেক কিছু শেখা এবং জানা উচিৎ কারণ Seo এমন একটা vast field যে এটা শুধুমাত্র link building শিখলেই হবে না। আনুষাঙ্গিক আরো অনেক ব্যাপার আছে। যেগুলো না পারলেও at least ন্যুনতম ধারণা থাকা উচিৎ। তাই নতুনদের অনুরোধ করব, আপনারা seo সর্ম্পকে পড়াশোনা করুন তারপর এই ফিল্ডের জবগুলি করুন। আর Seo সর্ম্পকে প্রচুর পরিমানে ফ্রি রিসোর্স internet ই পাবেন, শুধুমাত্র কষ্ট করে পড়ে নিতে হবে। আর দেশেও ইদানীং অনেক ভাল ভাল প্রতিষ্ঠান আছে। আমার মনে হয় সেখান থেকেও আপনারা শিখতে পারেন। তবে আপনার যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে Internet থেকেই আপনি সমস্ত তথ্য collect করতে পারবেন। যাই হোক অনেক অফটপিক কথা বলে ফেললাম, চলুন আবার কাজে ফিরে যাই।

এখন আবারো উপরের ছবির দিকে লক্ষ করুন এবং Search Engine ট্যাবে যান তাহলে আপনি আপনার সাইটে কতজন ভিজিটর কোথা থেকে আসছে এগুলো জানতে পারবেন।

তারপর উপররের ছবির মত keywords ট্যাবে যান এখান থেকে আপনি জানতে পারবেন, কোন কিওয়ার্ডস এর মাধ্যমে আপনি কতজন ভিজিটর পেয়েছেন। সাধারণত গুগল প্রথমে ১০টা কিওয়ার্ড শো করে কিন্তু আপনি ইচ্ছা করলে এখান থেকে আরো বেশি সংখ্যাক কিওয়ার্ড show করাতে পারেন। এখান আপনি অনেক কিওয়ার্ড পাবেন যার কিছু আমরা আমাদের সাইটের জন্য অপটিমাইজ করেছি, আর এমন কিওয়ার্ড পাবেন যেগুলো আমরা অপটিমাইজ করিনি।

উপরের ছবির দিকে লক্ষ করুন। এখানকার প্রায় প্রতিটা ইনফরমেশন আমরা Ascending or decening অর্ডারে সাজাতে পারি। যেমন দেখুন এখানে অন্য কলামএ কে কত সময় সাইটে ছিল, কে কে সাইটে ঢোকার সাথে সাথেই সাইট থেকে বের হয়ে গিয়েছে(bounce rate) ইত্যাদি তথ্য দেয়া আছে।

এবার চলুন keyword এর পাশে দেখানো অপশন থেকে landing page এ ক্লিক করে দেখে ভিজিটর প্রথম কোন পেজে আসছে।

এবার এটাকে যদি আমরা visits এর ভিত্তিতে sort করি তাহলে দেখতে পাব অধিকাংশ ভিজিটর home page প্রথম ভিজিট করছে। আর একটা ব্যাপার, সেটা হল আমরা যে page কে যে কারনে অপটিমাইজ করছি সেই পেজে আমরা সেই keyword থেকেই ভিজিটর পেয়েছি। আমাদের এই সাইটে যেমন amazon এর affliate product বিক্রি হয় তাই আমাদের conversion এর মেইন গোল হবে amazon এর সাইট কত ভিজিটর ভিজিট করেছে সেটা। উপরের ছবির Clicked an amazon affiliate link এটা সর্ট করলে আমরা কোন phrase এর জন্য goal conversion হয়েছে সেগুলো দেখতে পাবো।
এখন লক্ষ করুন এখানে কিছু কিওয়ার্ড জন্য শুধুমাত্র ১জন ভিজিটর আসছে এবং আপনার goal গুলো পূরণ হওয়াতে 200% গোল কনভারশন রেট দেখাচ্ছে, তারমানে এই নয় যে যেই আপনার সাইট এই কিওয়ার্ড এর মাধ্যমে ভিজিট করবে সেই আপনার goal পূরন করবে। ভিজিটর বাড়ার সাথে সাথে এই success rate ও কমবে। যেমন আমাদের কিওয়ার্ড kindle reviews এর জন্য লক্ষ করলেই আপনি এটার কারণ বুঝতে পারবেন। তাই এসব Value analysis করার সময় নিজের বুদ্ধির ব্যবহার করুন। এভাবে ধীরে ধীরে সময়ের সাথে সাথে আপনার সাইটের ভিজিটর বাড়তে থাকবে। আর যদি না বাড়ে তাহলে analytics থেকে কারণ বের করার চেষ্টা করুন। সম্ভব হলে প্রতি মাসে ১বার করে analytics এর ডাটা গুলো বিশ্লেষণ করুন।
ভাল থাকবেন। চলবে…

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (seo) এর A to Y পর্যন্ত টিউটোরিয়াল পোস্ট-৩০

আমরা আমাদের সাইটে যাই লিখিনা কেন, আর যাই করিনা আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য থাকে কিভাবে সাইটে ভিজিটর বাড়ানো যায়। এ কারনে সবচেয়ে ভাল হয় যদি আপনি analytics দ্বারা রেজাল্ট গুলো চেক করে নেন। এই কারণে প্রথমেই analytics এ প্রবেশ করুন। তারপর traffic sources অপশনে যান। তারপর referring sites খুজে বের করুন ও এখানে ক্লিক করুন।

এখানে ঢোকার পরে আপনি প্রথমেই সিলেক্ট করে দিন যে আপনি কয় মাসের traffic source একবারে দেখতে চাচ্ছেন। যদি আপনার সাইটের ভিজিটর এর সংখ্যা কম হয় তাহলে আপনি একবারে ৩-৬মাসের ডাটা দেখতে পারেন।

নিচের ছবিতে দেখুন আমরা twitter.com থেকে ভাল পরিমানে traffic পেয়েছি।

এখানে আপনারা যদি twitter.com এর লিঙ্ক এর উপর ক্লিক করেন তাহলে আপনারা আরো ভিতরের পেজে চলে যাবেন এবং এখান থেকে আপনারা দেখতে পাবেন, twitter এর কোন কোন পেজ থেকে আমরা ভিজিটর পেয়েছি।
এছাড়াও আপনারা ইচ্ছা করলে campaigns option এ যেতে পারেন।

এখান থেকে আপনারা আপনাদের সেট করা goal গুলোর কনভারশন সর্ম্পকে জানতে পারবেন। social site গুলো থেকে আপনার সাইটে যে ভিজিটর আসবে, তাদের দ্বারা আপনার গোল পূরণ হওয়া কঠিন। তবে হ্যা আপনি যদি বিভিন্ন social site এ আপনার সাইট সম্পর্কে জানান তাহলে আপনার ভিজিটর বাড়বে ও কনভারশনও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে। Google analytics শেখার জন্য এই সাইটটি ভিজিট করতে পারেন http://www.google.com/analytics/learn/index.html

আসুন আমরা শুরু থেকে যা যা শিখছি সেগুলো একবার রিভিউ করে নেই:

  • সবসময় ওয়েবসাইট তৈরী করবেন ভিজিটরদের জন্য। কারন সার্চ ইঞ্জিন এর লক্ষ্যই থাকে, searcher দের সর্বাপেক্ষা ভাল সাইট খুজে দেয়া। তাই আপনার সাইট ভাল হলে আপনি অবশ্যই র‌্যাঙ্কিং করবেন।
  • কিওয়ার্ড এমনভাবে চয়েজ করুন যেন তা আপনার পেজের সাবজেক্ট এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয়, এর সার্চ পরিমান যেন মোটামুটি হয় এবং যেন খুব বেশি cometitive না হয়।
  • আপনার সাইটটিকে সুন্দর ভাবে categorize করুন এবং navigation গুলো ঠিক মতো সাজান, ভাল anchor text এবং alt attributs ব্যবহার করুন, যেন তা আপনার সাইটের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয়।
  • আপনার ওয়েবসাইটটি এমনভাবে Program করুন যেন এটি crawler-friendly হয়। আপনার গুরুত্বপূর্ণ কিওয়ার্ডগুলো যেন, Flash, Javascript ইত্যাদির নিচের চাপা না পড়ে।
  • আপনার সাইটের Title Tag, Meta Description and Page headline এর দিকে লক্ষ রাখুন যেন এগুলোর ভিতর কিওয়ার্ড থাকে। Page headlines গুলো যেন duplicate না হয়।
  • সাইটটি এমনভাবে তৈরী করুন যেন, অন্যরা আপনার সাথে তাদের প্রয়োজনেই লিঙ্ক ব্যাক করে।
  • র‌্যাঙ্কিং নিয়ে কখনই চিন্তা করবেন না কারণ এটি সবসময় পরিবর্তনশীল।

বিভিন্ন মানুষজনের সাথে Online Link Partnerships build করুন। যেমন:

  • ক্রেতা
  • সহযোগী
  • বিভিন্ন কোম্পানী
  • আপনি যেসব সোশ্যাল সাইটে অংশগ্রহণ করেন।
  • সঠিক স্থানে আপনার সাইটের advertisement দিন।
আজ এ পর্যন্তই সবাই ভাল থাকবেন। চলবে…..